Churn : Universal Friendship
Welcome to the CHURN!

To take full advantage of everything offered by our forum,
Please log in if you are already a member,
or
Join our community if you've not yet.

Share
Go down
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:43 pm
#বেলুরমঠ_মানবতীর্থে_কিছু_অজানা_জানা_কথা/#Belurmath_sacred_place
***************************
স্বামী বিবেকানন্দ, সমগ্র ভারত ভ্রমণকালে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে সমস্ত স্থাপত্যকৃতি দেখেছিলেন তাথেকে রামকৃষ্ণ মঠের সর্বধর্ম সমন্বয়ে একটি ধারণা তৈরি করেন এবং পরে সেই ইচ্ছার কথা স্বামী বিজ্ঞানানন্দকে জানান। স্বামীজীর ইচ্ছানুসারে স্বামী বিজ্ঞানানন্দ মঠের প্রাথমিক ডিজাইন তৈরি করেন। পরে আর্কিটেক্ট হেরাল্ড ব্রাউন, স্বামী বিবেকানন্দ ও বিজ্ঞানানন্দ মহারাজের চিন্তাভাবনা অনুসারে ফাইনাল নক্সা তৈরি করেন এবং মার্টিন বার্ন কোম্পানি কতৃক এই মন্দির তৈরি হয়। বর্তমান মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় ১৬ই মে,১৯৩৫।
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:45 pm

#বেলুড়মঠে_কি_কি_দেখার_আছে::
• শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের মন্দির
• ‎সংগ্রহশালা(ঠাকুর, মা ও বিবেকানন্দ এর ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিস আছে এখানে, এছাড়াও এই সংগ্রহশালাটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে এটিকে দেখতে দেখতে আপনার ইতিহাসের সেই সময়ের ছোট্টো ভ্রমন হয়ে যাবে, শুধু এটুকু বলি যে বেলুরমঠ দেখলেন আর সংগ্রহশালা দেখলেন না, তাহলে আপনার দেখা অপূর্ন থেকে যাবে)
• ‎স্বামী বিবেকানন্দের সমাধিস্থল(স্বামীজী তার মৃত্যুর কিছু দিন আগে নিজে এই স্থানটি নির্বাচন করেন, তার সমাধির জন্য!)
• ‎শ্রী শ্রী সারদা মায়ের মন্দির
• ‎স্বামী ব্রহ্মাননদের মন্দির( ইনি ছিলেন প্রথম বেলুরমঠের প্রেসিডেন্ট)
• ‎অন্যান সন্যাসীদের সমাধিস্থল
• ‎স্বামী বিবেকানন্দের বাসগৃহ(বিবেকানন্দ নিজমুখে বলে গেছেন, তিনি না থাকলেও সুক্ষ দেহে তিনি এই ঘরটিতে অবস্থান করবেন,জানালা দিয়ে ঘরটির দিকে তাকালে শিহরিত হতে হয়! এখনো সেখানে তার ব্যবহৃত আসবাব ও বিভিন্ন দ্রব্য স্বমহিমায় অতি যত্ন সহকারে রাখা আছে। )
• ‎আদি মঠ, বেলুড় মঠ তৈরির আগে যেখানে শ্রী শ্রী ঠাকুরের পূঁজা হত।
• ‎স্বামীজীর প্রিয় আম গাছ (এই গাছতলায় বসে স্বামীজী বিশ্রাম নিতেন)
• ‎পল্লীমঙ্গল দোকান (হরেকরকম দ্রব্য যেমন ব্যাগ, আসন, মধু , ধুপ ইত্যাদি পাওয়া যায়)
• ‎বেলুড় মঠের নিজস্ব দোকান(ফটো, বই , সিডি ইত্যাদি পাওয়া যায়)
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:46 pm
#বেলুড়মঠ_সম্বন্ধে_কিছু_বিস্তারিত_তথ্য::
প্রবেশদ্বার সংলগ্ন বিরাট খিলান, শিখর চূড়ার গঠনে যোধপুর ও উদয়পুরের রাজপ্রাসাদ এর প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। মন্দিরের আয়তাকার প্রবেশদ্বার ও অশ্বখুরাকৃতি খিলান নাসিকের পান্ডুলেন চৈত্যের সুদীর্ঘ কক্ষতে প্রবেশের দ্বারকে মনে করায়। প্রবেশ দ্বারের মাথায় রয়েছে একটি শিবলিঙ্গের প্রতিকৃতি(শিল্পী নন্দলাল বসু ডিজাইন করেছেন ), তার নিচে অশ্বখুরাকৃতি খিলান, তার মধ্যে রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীক, তার দুপাশে দুটি হাতি শুর তুলে পদ্মফুল ধরে রয়েছে।
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Belur mather symbol বেলুড় মঠের প্রতীক

on Tue Mar 13, 2018 2:47 pm

#বেলুরমঠের_সিম্বল/প্রতীক::

সিম্বলের জলের ঢেউ কর্মের প্রতীক, পদ্ম ভক্তির প্রতীক, সূর্যোদয় জ্ঞ্যান-এর প্রতীক,ফনা বিস্তার করে থাকা সাপটি জাগৃতি কুলকুন্ডলিনীর প্রতীক, হাঁসটি পরমাত্মার প্রতীক।

‎প্রার্থনা-কক্ষটি এবং কক্ষের পাশে স্তম্ভ সজ্জা মহারাষ্ট্রের কার্লিতে যে বৌদ্ধ চৈত্যের কক্ষ আছে তার অনুকরণে তৈরি। বেলুড় মঠ মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে নাট মন্দির পর্যন্ত অবিচ্ছন্ন বিস্তৃত অংশটির সাথে খ্রিস্টানদের গির্জার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। প্রার্থনা কক্ষের থামের মাথায় যে ব্র্যাকেট গুলি আছে তা ফতেপুর সিক্রিতে ব্যবহৃত ব্র্যাকেট এর মত। রামকৃষ্ণ মন্দিরের প্রধান গম্বুজ ও তার পাশের অপেক্ষাকৃত ছোটো গম্বুজগুলি রোমের সেন্ট পিটার্স চার্চ এর অনুকরণে করা তবে উচ্চতা ও ব্যাস-এর পার্থক্য আছে চার্চের সাথে। রামকৃষ্ণ মন্দিরের যুগ্ম স্তম্ভ আগ্রার দেওয়ান-ই-খাস এর যুগ্ম স্তম্ভের কথা মনে করায়। মন্দিরে রামকৃষ্ণ দেবের গর্ভগৃহটি অন্যান্য মন্দিরের গর্ভগৃহের ঠিক বিপরীত ধর্মী। মন্দিরের গর্ভগৃহ সাধারণত ছোটো হয় কিন্ত এখানে রামকৃষ্ণ দেব যে গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত তা বেশ প্রশস্ত। রামকৃষ্ণ দেবের শ্বেত পাথরের মূর্তিটি শ্রী গোপেশ্বর পালের নির্মিত। মূর্তিটি একটি প্রস্ফুটিত পদ্মের উপর বসানো যা শিল্পী নন্দলাল বসু ডিজাইন করেন।

মন্দিরের প্রার্থনা কক্ষের দুদিকে দুটি প্রবেশ দ্বারের দুপাশে জোড়া থাম গোয়ালীয়র দুর্গের প্রবেশদ্বারের থামের অনুরূপ। এর দুই প্রবেশ দ্বারের উপরে পূর্বে ও পশ্চিমে যথাক্রমে শ্রী গনেশ ও শ্রী হনুমানজীর মূর্তি স্থাপিত আছে।

‎গর্ভ গৃহকে পরিক্রমা করতে গেলে তার চারিপাশের দেওয়ালে উপরের দিকে নবগ্রহের মূর্তি দেখতে পাওয়া যায় যেগুলি শিল্পী নন্দলাল বসুর তৈরি। এই নবগ্রহ মূর্তি খাজুরাহের হিন্দু মন্দিরের মূর্তির কথা স্মরণ করায়। সূর্য, বৃহস্ততি, মঙ্গল--উত্তর দিকে; চন্দ্র, শুক্র, বুধ--পূর্ব দিকে; শনি,রাহু,কেতু--পশ্চিমদিকে রয়েছে।
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:50 pm

‎#বেলুরমঠ_সম্বন্ধে_আরো_কিছু_তথ্য::
• শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের মর্মর মূর্তির সামনেই তার মরদেহের পুতাস্থি সংরক্ষিত আছে লোকচক্ষুর অন্তরালে। শুনেছিলাম দুর্গা পূজার মহাঅষ্টমীর দিন সেই পুতাস্থি বের করা হয় ও পূঁজা করা হয়।
• ‎গর্ভ মন্দিরের মেঝেতে সাদা ও নাট মন্দিরের মেঝেতে কালো রঙের মার্বেল বসানো আছে।
• ‎গর্ভমন্দিরের সকল দরজা ও জানালা তৈরি হয়েছে মায়ানমারের উন্নতমানের সেগুন কাঠ দিয়ে।
• ‎মন্দিরের থাম ও দেওয়ালে চুনারের বেলে পাথর বসানো আছে।
• ‎মন্দির নির্মাণে খরচ হয়েছিল প্রায় ৮ লক্ষ টাকা,১৯৩৮ সালে। আমেরিকার দুই ভক্ত এই খরচের সিংহভাগ বহন করেন।
• ‎পুরো মন্দিরটি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে বেলে পাথর, কংক্রিট, উন্নতমানের ইট, বালি(মগড়া থেকে আনা হয়েছিল), সুরকি, মায়ানমারের সেগুন কাঠ ও কিছু ক্ষেত্রে ধাতু।
#বেলুরমঠে_যে_উৎসবগুলি_পালন_করা_হয়::
• শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেব, শ্রী শ্রী মা এবং স্বামী বিবেকানন্দ-এর জন্মতিথি।
• ‎দুর্গা পূজা। (শ্রী শ্রী মায়ের নামে সংকল্প হয়, স্বামী বিবেকানন্দ ও স্বামী ব্রম্মানন্দ মহারাজের উদ্যোগে শুরু হয় এই দুর্গা পূঁজা)
• ‎লক্ষী পূজা।
• ‎কালী পূজা।
• ‎সরস্বতী পূজা।
• ‎শিবরাত্রি।
• ‎চৈতন্যদেবের জন্মউৎসব ও দোল।
• ‎খ্রিস্টের জন্মদিন।
‎#বেলুড়মঠ
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:54 pm

‎#বেলুড়মঠে_সন্ধ্যা_আরতি:Sadআমার অনুভবে)
‎শতরঞ্চি পেতে মেঝেতে বসতে দিয়েছে, চারিদিক শান্ত, অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছি শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ঠাকুরের দিকে, সামনে সারিবদ্ধ ভাবে বসে সন্ন্যাসীরা, কারো কাছে হারমোনিয়াম, কারো কাছে তবলা, কারো হাতে বিনা ইত্যাদি। মঠের গঠনগত বৈশিষ্ট হোক বা স্থান মাহাত্ম্য যাই হোক, কিছুক্ষন বসে থাকলে মন থিতিয়ে যায় ঠিক যেমনটা হয় একগ্লাস মাটি গোলা জল রেখে দিলে, মাটিগুলি থিতিয়ে পরে জলটা স্বচ্ছ হয়ে যায়! চারিদিক এক অদ্ভুত নরম আলোয় উদ্ভাসিত, খুব প্রখর নয় আবার কোনো কিছু দেখতেও অসুবিধা হবে না ওই আলোয়। নির্দিষ্ট সময়ে প্রদ্বীপ জ্বালানো হল, এক সন্ন্যাসী বাম হাতে ঘন্টা ও ডান হাতে প্রদ্বীপ ধরে নির্দিষ্ট যায়গায় দাঁড়িয়ে আরতি শুরু করলেন। কি আশ্চর্য! এক অদ্ভুত স্বর্গীয় গন্ধে চারিদিক ভরে গেল! নির্দিষ্ট সুরে নিয়ম মেনে চললো আরতি। পাশ দিয়ে শান্ত গঙ্গা বয়ে চলেছে। সন্ন্যাসীদের সমবেত কন্ঠ মঠের প্রাচীরে প্রতিধ্বনিত হয়ে এমন ভাবে কানে প্রবেশ করছে যে ধীরে ধীরে মোহাবিষ্ট হয়ে পড়লাম, চোখ নিথর হয়ে গেল, শ্বাসবায়ু অত্যন্ত ধীর গতিতে চলতে লাগলো। গঙ্গার শান্ত হওয়ায় মন-প্রাণ জুড়িয়ে গেল। এটা কি কাল? শীতকাল না গরমকাল না বসন্ত! সেই বোধ লোপ পেয়ে গেল! কানের ভেতরে প্রবেশ করছে "খন্ডন ভব বন্ধন জগ..." সত্যি এ জগতের থেকে বন্ধন ছিন্ন হতে থাকলো ধীরে ধীরে। জীবেনর সমস্ত পাপ-তাপ মুছে যেতে থাকলো ঠাকুরের দিকে তাকিয়ে। চোখ অশ্রুতে ভিজে গেল, বিশ্বাস করুন বুজলাম না সে অশ্রু কি আনন্দের না দুঃখের! সেই বোধ লোপ পেয়েছে। জড় পদার্থের মতো তাকিয়ে বসে রইলাম, আমি যে গান জানি না! কে পাশে, কে পিছনে বসে, জানি না। যখন শেষ হল, পাশের জনের হালকা ধাক্কায় সম্বতি ফিরলো। শেষ হয়ে গেছে! কিছুক্ষনের স্বর্গবাস! শেষ হয়ে গেছে। মন মানতে চায় না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও উঠতে গিয়ে দেখি পা অসাড় হয়েগেছে, দীর্ঘক্ষন একভাবে বসে থাকার জন্য রক্ত চলাচল অনিয়মিত হওয়ায় পায়ে সম্বতি নেই, ফলে বসে পড়লাম আরেকটু সময়...
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

on Tue Mar 13, 2018 2:57 pm

#বেলুরমঠে_দোলউৎসব:Sadআমার অভিজ্ঞতা)
একবার মনটা খুব খারাপ ছিল, তেমন ভাবে হলি/দোল খেলিনি। হটাৎ কি খেয়াল হল, বেলুরমঠ চললাম। গিয়ে দেখি, মন্দিরের ভিতরে সন্ন্যাসীরা গোল হয়ে বসে কীর্তন করছেন, মাঝে মাঝে একে অপরকে আবীর মাখাচ্ছেন। শুনেছিলাম সন্ন্যাসীদের চড় খেলে নাকি পাপ স্খলন হয়?! জানি না সত্যি কি না! গান করতে করতে হটাৎ এক সন্ন্যাসী এক মুঠো আবির নিয়ে ছুড়ে দিলেন... সেই আবির এসে পড়ল আমার গায়ে!(এসেছিলাম সন্ন্যাসীর হাতের চড় যদি জোটে কপালে, সেখানে আবির!) ব্যাস, সেই যে উনি রাঙিয়ে দিলেন আমাকে, এর পরই ম্যাজিকের মতো পাল্টে গেল চারিদিক; আর এরপরে যা হল তা আমার জীবনের পরম প্রাপ্তি। এরপর আরেকজন এসে আমায় আবির মাখিয়ে দিলেন। অত্যন্ত মধুর স্বরে কীর্তন হচ্ছে, সন্ন্যাসীদের ঘিরে দাঁড়িয়ে মা, কাকিমা-এর দল সমবেত কন্ঠে উলু ধ্বনি দিলেন, এরপর সন্ন্যাসীরা চললেন শ্রী শ্রী ঠাকুরকে প্রদক্ষিণ করতে, আমিও পিছনে চললাম। সকলেমিলে আবির বৃষ্টি করতে থাকলো সন্ন্যাসীদের উপরে। আবিরের গন্ধে বাতাস সুগন্ধিত হয়ে উঠলো। হটাৎ দেখি এক সন্ন্যাসী এক মুঠো লজেন্স নিয়ে ছুড়ে দিলেন ভক্তদের দিকে! আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলে পড়লো সকলে সেই প্রসাদী লজেন্স নিতে, আমি হাতের আঙুলগুলি ভাঁজ করে দাঁড়িয়েছিলাম, একটা লজেন্স পাশের একজনের গায়ে ধাক্কা খেয়ে আমার হাতের আঙ্গুলের মধ্যে এসে আটকে গেল! সঙ্গে সঙ্গে মুঠো করে ধরে নিলাম। আরেকটা লজেন্স পড়লো আমার পায়ের কাছে, পা দিয়ে চেপে ধরলাম! আপনি বিশ্বাস করবেন না, দুই কাকিমা আমার পা ধরে কি টানাটানি সেই লজেন্স নেবার জন্য! এখানে কে বড়, কে ছোটো... কে বড়লোক, কে গরিব...কে শিক্ষিত, কে অশিক্ষিত...সব মিশে গেছে।
হিন্দু , মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ধর্মের সমন্বয়ে যে স্থাপত্য গড়ে উঠেছে তা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতে তো বটেই পৃথিবীতে আর কোথাও আছে কি না জানি না! শুধু ধার্মিকতার দিক থেকে নয়, স্থাপত্যকলার দিক থেকেও এটি অনবদ্য।
যে স্থানে ঠাকুর, মা ও স্বামীজীর ছোয়া রয়েছে সেই যায়গা মানবতীর্থে শ্রেষ্ঠ আসনে অধিষ্ঠিত তা বলাই বাহুল্য।

‎বেলুরমঠ নিয়ে লিখতে গেলে এই স্বল্প পরিসরে তা সম্ভব নয় তাই একরকম জোর করেই এই লেখা থামিয়ে দিলাম, বলার ছিল অনেক কিছু।
#তথ্যসূত্র_এবং_কৃতজ্ঞতা_স্বীকার::
উদ্বোধন কার্যালয়,
স্বামী তত্ত্বজ্ঞ্যানানন্দ মহারাজ,
বেলুরমঠের প্রত্যেকটি সদস্যকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই যাদের নিঃস্বার্থ আতিথেয়তায় আমি চিরঋণী হয়ে থাকবো।
Sponsored content

Re: বেলুড় মঠ Belur Math

Back to top
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum