Churn : Universal Friendship
Welcome to the CHURN!

To take full advantage of everything offered by our forum,
Please log in if you are already a member,
or
Join our community if you've not yet.

Share
Go down
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

মালুটি তারাপীঠ ব্রাহ্মণী নদী maluti Tarapith Brambhani river

on Wed Mar 14, 2018 2:49 pm
ঐতিহাসিক টেরাকোটা গ্রাম – মালুটি ---- মা মৌলীক্ষা মন্দির – তুম্বানি ফরেস্ট রেঞ্জ – ব্রাহ্মণী নদী





তারা মায়ের দর্শনে তারাপীঠ যাননি এমন লোক বোধ করি খুব কম আছেন। রামপুরহাট হয়ে তারাপীঠ সবাই গিয়ে থাকেন। সাধক বামদেবের স্মৃতি বিজরিত তারাপীঠের কথা আমরা যতটা জানি – বামদেবের প্রথম সাধনা ক্ষেত্র মালুটি ---- মৌলীক্ষা মন্দির সম্বন্ধে ততোটাই কম জানি। বস্তুত মালুটি ---- মৌলীক্ষা মন্দিরের কথা আমার ও আগে জানা ছিল না। রামপুরহাট থেকে 20 km দূরে রামপুরহাট – দুমকা’র রাস্তায় গিয়ে বাংলা – ঝাড়খণ্ড সীমান্তে মালুটি মোড় থেকে বাঁদিকের রাস্তায় 5 – 6 km গেলে পৌঁছে যাবেন – মালুটি গ্রাম। বর্তমানে গ্রামটি ঝাড়খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। লৌকিক কথিত অনুসারে মালুটি’র মৌলীক্ষা মন্দিরে সাধক বামদেব প্রথম পুরোহিত হয়ে আসেন। এখানেতেই প্রথমবার বামদেব সিদ্ধিলাভ করেন - মৌলীক্ষা মন্দির পরিসরে বামদেবের যে সাধনা কক্ষটি রয়েছে – সেখানেতে বামদেবের ত্রিশূল ও বামদেব ব্যবহৃত বৃহৎ শঙ্খটি, আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী বহন করে চলেছে। মৌলীক্ষা মায়ের মন্দিরটিকে অনেকে শক্তিপীঠের স্থান দিয়ে থাকেন। এখানকার ইতিহাসকার শ্রী গোপাল দাস মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের ও তেমনি মত। এখানকার মানুষজন মা মৌলীক্ষা’কে বড়মা আর তারাপীঠের তারামা’কে ছোট’মা বলে ডাকেন। মন্দিরটি বেশ জাগ্রত। মন্দিরের শান্ত পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। আমরা খুব ভালো ভাবে মায়ের পুজো দিতে পেড়েছিলাম। মন্দির নিয়ে গ্রামটির দূরের বিস্তীর্ণ মাঠ ও টিলার পটভূমি – অসাধারণ। মন্দিরের খুব কাছেই ঝাড়খণ্ড সরকারের যাত্রী নিবাস রয়েছে। মন চাইলে মন্দিরের শান্ত পরিবেশে এক দিন থাকতেই পারেন।
মন্দির দর্শন করে এবার পালা – মালুটি গ্রামটি ঘুরে দেখা। গ্রামটির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রায় 72 টি ছোট বড় মন্দির রয়েছে। বলা হয়ে থাকে আগে মোট 108 টি ছিল। অনেক গুলি সম্পূর্ণ নস্ত হয়ে গেছে। মন্দির গুলি বাংলার একচালা ও চারচালা শৈলীর এক সুন্দর নিদর্শন। মন্দির গুলি প্রায় সব’কটি পোড়ামাটির তৈরি অর্থাৎ টেরাকোটার। টেরাকোটার বর্গাকার প্যানেল বসিয়ে মন্দিরগুলির গায়ে বসানো হয়েছে। টেরাকোটার পানেল গুলিতে রামায়ণ, মহাভারতের ও শাক্ত পদাবলীর মহিসাসুর ও মা দুর্গার যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলায় টেরাকোটার মন্দির অনেক জায়গায় আছে, তবে শাক্ত পদাবলীভিত্তিক টেরাকোটার কাজ খুব কম মদিরেই পাওয়া গেছে। সে দিক দিয়ে দেখলে মালুটি’র মন্দিররাজি – এক অনন্য উদাহরণ। এছাড়া সাধারণ গ্রাম্য জীবনকে ও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কিছু কিছু মন্দিরের গায়ে। মন্দির গুলি সপ্ত দশ থেকে শুরু করে উনিশ শতকে তৈরি – রাজা বাজ বসন্তের বংশের ভিন্ন ভিন্ন রাজাদের আমলে। কথিত আছে পঞ্চদশ শতকে গৌড়ের সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ – গরিব ব্রাহ্মণ সন্তান বসন্তকে...সুলতানের বাজপাখি ধরে দেয়ার উপহার স্বরূপ এই গ্রাম ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল – করমুক্ত ভাবে নানকার রাজ হিসাবে দেন। বাজ বসন্তের বংশের অন্য রাজারা বড় প্রাসাদ বা অট্টালিকা না তৈরি করে একের পর এক মন্দির তৈরি করতে থাকেন। মন্দির তৈরির এক প্রতিযোগিতা শুরু হয়। মন্দিরের আদল একচালা ও চারচালার থাকলেও বৈশিষ্ট্য ভিত্তিক ছোট ও বড়। অপেক্ষাকৃত নতুন মন্দিরগুলির মধ্যে একটি বিশেষ মন্দিরের শৈলী বেশ চোখে পরে। আদতে এটি তিনটি মন্দিরের সমাবেশ। তিনটি মন্দিরের চূড়ার আদল ভিন্ন ভিন্ন – একটির চূড়া হিন্দু মন্দিরের আদলে তৈরি, আর একটির চূড়া মসজিদের আদলে আর অন্যটির চূড়া গির্জার আদলে তৈরি। মন্দিরের গায়ে বিভিন্ন লিপি ও উৎকীর্ণ করা আছে …।পুরনো বাংলাভাষায়। যা বাংলা, প্রাকৃত ও সংস্কৃতের সংমিশ্রণ।
মন্দির গুলিতে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। Global Heritage Fund এর তথ্য অনুসারে মালুটি’র মন্দিররাজি সহ গোটা মালুটি গ্রাম – “The World’s twelve vanishing cultural Heritage Sites”. বর্তমানে Global Heritage Fund ও Indian Trust for Rural and Heritage Development এর উদ্যোগে মালুটি’র মন্দিররাজি সহ গোটা মালুটি গ্রাম; এর সংস্কারের কাজ চলছে। মালুটি নিয়ে লৌকিক কথার শেষ নেই – কেউ কেউ বলে থাকেন যে বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের অধিনে ছিল – এই মালুটি। কারণ সেই সময় বর্তমানের বীরভূম সহ ঝাড়খান্ডের ছোট নাগপুর মালভূমি অঞ্চল মল্লভুমি...আর মৌলহাটি থেকে কালক্রমে মালুটি। আর ও একটি কথা প্রচলিত আছে – মালুটি কথা রাজা বাজ বসন্তের ও আগে পাওয়া যায় – বলা হয়ে থাকে সুঙ্গ বংশের রাজত্বকালে ভারতবর্ষের প্রথম ব্রাহ্মন রাজা পুশ্যমিত্র সুঙ্গের সময় কালে সেকালের বিখ্যাত বিদ্যা অধ্যায়নের স্থান হিসাবে মালুটি স্থাপিত হয়। বলা হয়ে থাকে আদি শঙ্করাচায বারানসি গমন পথে এখানে কিছুকাল ছিলেন।অবিভক্ত বাংলা’র সময় বীরভূম ও সম্মিলিত সাঁওতাল পরগনা একসাথে রাঢ় বাংলা বা রাঢ় বঙ্গ ও বলা হত। মালুটি আজও বিচিত্র এক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে বিদ্যমান – বুকে আগলে রাঢ় বঙ্গের পুরানো ঐতিহ্যকে – অপেক্ষায় রয়েছে নতুন করে চিনে নেবার সংকল্পে। তবে বলে রাখি – আমি মালুটি গিয়েছিলাম ঝাড়খান্ডের পাকুড় থেকে – দূরত্ব প্রায় 80 km. পুরো রাস্তাটাই সাঁওতাল পরগনা’র মধ্যে দিয়ে গিয়েছে – পশ্চিমবঙ্গ আর ঝাড়খান্ড’কে আলাদা করা এই রাস্তায় বেশ মুশকিল। ছোট নাগপুর মালভূমির বিস্তীর্ণ টিলার প্রান্তর এ এক অনন্য Topography আপনার সামনে তুলে ধরে।
মালুটি দেখে ফেরার পথে আমরা গিয়েছিলাম বীরভূমের তুম্বানি ফরেস্ট রেঞ্জের মধ্য দিয়ে। সঙ্গে ছিল বিস্তীর্ণ শালের জঙ্গল আর সঙ্গে বাংলা – ঝাড়খান্ডের সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রাহ্মণী নদী। মালুটি থেকে রামপুরহাটের রাস্তায় কিছুটা এগিয়ে গিয়ে নারায়ানপুরের মোড় দিয়ে বাঁদিকের রাস্তায় প্রায় 8 km দূরে নারায়ানপুর পেরিয়ে পড়বে ব্রাহ্মণী নদীর ব্রিজ। ব্রিজ পেরিয়ে নদির পাশ বরাবর বালি মাটির রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। পথে পরে তুম্বানি ফরেস্ট রেঞ্জের শালের জঙ্গল আর তারপাশ দিয়ে বয়ে গেছে ব্রাহ্মণী নদী। নদি আর শাল জঙ্গলের এই জায়গাটাতে সময় যে কেমন করে বেরিয়ে যায় – তা কথায় বলে বোঝানো যাবে না। পিকনিক করার একটি আদর্শ জায়গা এটি। এর পর শাল জঙ্গলকে পিছে রেখে আমরা এগিয়ে চলি বৈধড়ার দিকে। এখানেতে ব্রাহ্মণী নদী উপরে লকগেট আছে...সঙ্গে ছোট্ট একটি পার্ক। এখান থেকে রাস্তা এক দিকে চলে গেছে রাম পুরহাটের দিয়ে আর অন্য দিকে নলহাটি। পাকুড় ফেরার জন্য আমরা নলহাটির রাস্তা ধরলাম। তারাপীঠে পুজো দিয়ে আপনারা ও একবার ঘুরে আসতে পারে্ন মালুটি’তে। দেখে আসতে পারেন প্রাচীন বাংলার প্রায় ভুলে যাওয়া ইতিহাসকে – একচালা আর চারচালা মন্দিরের ইতিহাস......
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: মালুটি তারাপীঠ ব্রাহ্মণী নদী maluti Tarapith Brambhani river

on Wed Mar 14, 2018 3:43 pm

























avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: মালুটি তারাপীঠ ব্রাহ্মণী নদী maluti Tarapith Brambhani river

on Wed Mar 14, 2018 3:52 pm
মন্দিরময় গ্রাম মালুটি।




বহরমপুর থেকে বেরোনো গেল। মানে স্টেশন থেকে শহরের ভেতর দিয়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ভিড়ভাট্টা কাটিয়ে বেরোতে বেরোতে প্রায় আধ ঘন্টা।
রাধারঘাটের ব্রিজ পেরিয়ে বাঁদিক দিয়ে কর্ণসুবর্ণ। অত্যন্ত প্রাচীন প্রত্নস্থল অথচ ভ্রমনার্থী কজন যান বা খোঁজ রাখেন হাতে গুনে বলতে হবে।
রাজা শশাঙ্কের সাম্রাজ্যের রাজধানী একটা রেলিং দিয়ে ঘেরা মাঠের মধ্যে পড়ে আছে। ইতস্তত ঢিবি, আর খানাখন্দ। যখন পৌছলাম তখন রোদ্দুর কড়া হতে লেগেছে। কোনোরকম গোটা কয় ছবি তুলে আবার রওনা দিতে হল। রাজবাড়িডাংগা গ্রামটার ভেতর দিয়ে হাইওয়েতে ওঠার শর্টকাট রাস্তা খুজতে গিয়ে বেকুব হয়ে গেলাম। গুগল ম্যাপ ধোঁকা দিল মনে হচ্ছে। যাই হোক গোকর্ন (টর্নেডোর কারনে ভারতবিখ্যাত হয়েছিল এই জায়গাটা) তে কান্দি- বহরমপুর রোডে উঠে একটুখানি উত্তরমুখী এগিয়ে একটা শর্টকাট আছে সেরপুর যাওয়ার। মহালন্দ হয়ে একদম মাঠের ভেতর দিয়ে রাস্তা। মাঝপথে পড়লো দ্বারকা নদী। নদীখাত খুবই গভীর কিন্তু জলের ধারা শোচনীয় বললে কম বলা হয়। এই নদীই এঁকেবেঁকে আসছে তারাপীঠ হয়ে। বর্ধমান মোরগ্রাম হাইওয়ের ওপর শেরপুর।
সেখান থেকে একটা রাস্তা চলে যাচ্ছে রামপুরহাট অভিমুখে। শহরকে ডানহাতে ফেলে আমরা আটকালাম রেলগেটে। গাড়ি আসার নাম নেই, ঠায় ২০ মিনিট গেট ফেলে রেখে দিল। রেললাইন পার করে রামপুরহাট- দুমকা হাইওয়ে। 'বড় পাহাড়ী' আর দীঘল পাহাড়ি জায়গা দুটো ছাড়িয়ে এগোতেই ছোটনাগপুর মালভুমির রুক্ষ প্রান্তর, লালচে ধুলো, ছোট ছোট টিলা। সূর্য আগুন ঝরাচ্ছে, আর নদী নালা দেখলেই থামছি। দুর্ভাগ্য সেসব শুকনো খটখটে!

যেখানে গন্তব্য, জায়গাটা ঝাড়খণ্ড রাজ্যের শিকারীপাড়া থানার অধীন এবং এখানেই অবহেলায় পড়ে আছে একটি অতি সমৃদ্ধ প্রত্নস্থল মালুটি গ্রাম। ঝাড়খণ্ড সরকার অবশ্য জম্পেশ বোর্ড মেরেছে 'ঐতিহাসিক মালুটি গ্রামে আপনাকে স্বাগত' ইত্যাদি। তবে এইটুকু রাস্তা যেতেই সিলিকোসিস হয়ে যাওয়ার উপক্রম। রীতিমতো শাসকষ্ট ধরে যাবে, কারন পাথর খাদান। রাস্তার দুধারে শ খানেকের বেশি পাথর খাদান। স্টোনচিপস ভর্তি লরি, ক্র‍্যাশার আর ভারি বুলডোজারের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে মাথা ভর্তি হয়ে যাচ্ছে সাদা ধুলোয়। সত্যি, শ্রমিকেরা এখানে কাজ করেন ভয়ানক অসাস্থ্যকর পরিবেশে। শ্রম বড় সস্তা। সস্তা এনাদের জীবনও।

মালুটির রাস্তাটা একটু মজার। ঝাড়খন্ড থেকে বাঁক নিয়ে বাংলায় ঢুকে আবার ঝাড়খন্ড রাজ্যে ঢুকছে। যে মন্দিরটায় কিঞ্চিত লোক সমাগম আছে সেটা বামাখ্যাপার মন্দির বা মৌলাক্ষী মাতার মন্দির। বামাখ্যাপা নাকি তারাপীঠ থেকে এখানে এসে কিছুদিন ছিলেন সাধনার্থে। আর ম্যাপ বরাবর একটা স্কেল ফেললে তারাপীঠ মাত্র কিলোমিটার সাতেক! তবে রাস্তা নেই। দ্বারকা নদীর একটা অংশ চিলা নদী দুই রাজ্যের সীমানা হিসেবে বইছে মন্দিরের কাছ দিয়েই। প্রাচীন প্রস্তর যুগ ও মধ্য প্রস্তর যুগের কিছু নিদর্শন নাকি এই নদীর ধার থেকে পাওয়া গেছিল। টেরাকোটার মন্দির তো এখানে মাত্র একখানা! বাকি গুলো কই?

একটা সূত্র বলে গৌড়েশ্বর সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ রাজা বাজ বসন্তকে এই গ্রাম দান করেন এবং রাজা ও তার বংশধরেরা প্রাসাদ বানাবার পরিবর্তে শুধু মন্দির বানাতেন একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে। মালুটি হয়ে ওঠে মন্দিরময়! অন্য সূত্র বলছে মল্লহাটি থেকে মালুটি। বাঁকুড়ার মল্ল রাজাদের পরগনা ছিল এই গ্রাম। আদি শঙ্করাচার্য কাশী যাওয়ার পথে এখানে থেমেছিলেন একথাও জানতে পারছি উইকিপিডিয়া থেকে। সর্বমোট ১০৮ টা মন্দির আছে বা ছিল এখানে (কালনা এবং বর্ধমানের মতো)।
এক ছোকরাকে জিজ্ঞেস করলাম ভাই শুনেছি অনেক মন্দির আছে, বাকি গুলো কই? সে পরিষ্কার বাংলায় বললো, সেগুলোতে কেউ তো যায়না, গ্রামের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, সোজা রাস্তা দিয়ে গেলে দুধারে চোখে পড়বে। অগত্যা। বামাখ্যাপার জাগ্রত সাধনপীঠে টিউবওয়েলের ঠান্ডা জল ঘাড়ে, চোখে, মুখে মেরে এগিয়ে যাই।

সত্যিই.... অজস্র মন্দির। একই পাড়ায়, মোড়ে মোড়ে... কি অপূর্ব, নিখুঁত টেরাকোটার কাজ! মুগ্ধ হয়ে দেখতে হয়। ১০৮ টার মধ্যে নাকি ৭২ খানা টিকে আছে, বাকিগুলো মায়ের ভোগে। কাছেই তারাপীঠের এক মন্দিরে লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম দেখে হাসি পেয়েছিল। আর এগুলোর এই অবস্থা দেখে কান্না পাবে। কোনোটা জোড়া, তিনটে একসাথে, আবার একসংগে একাধিক মন্দির। ভেতরে কিছু ছাগল রেস্ট নিচ্ছে! ছবি তুলছি দেখে পোজ দিল। Smile

আর্কিওলজিকাল সার্ভের একটা বোর্ড পর্যন্ত আমার চোখে পড়েনি। এই দুর্দান্ত হেরিটেজ সাইটের রক্ষণাবেক্ষণের দায় তারা কটা ছাগলের ওপর ছেড়েছেন আমার ছবি তার প্রত্যক্ষ প্রমান। জানিনা ভেতরের কারণ কি! কারাই বা এগুলোর দেখাশোনা করে। তবে গোমাতার শাসনকালে ছাগলরাই ইতিহাসবিদ হচ্ছে, সেতো নিয়ত প্রত্যক্ষ করছি আমরা প্রতিনিয়ত। Wink
avatar
Primary
Primary
Posts : 113
Points : 311
Reputation : 3
Join date : 2018-03-05
View user profile

Re: মালুটি তারাপীঠ ব্রাহ্মণী নদী maluti Tarapith Brambhani river

on Wed Mar 14, 2018 3:54 pm





Sponsored content

Re: মালুটি তারাপীঠ ব্রাহ্মণী নদী maluti Tarapith Brambhani river

Back to top
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum