Churn : Universal Friendship
Welcome to the CHURN!

To take full advantage of everything offered by our forum,
Please log in if you are already a member,
or
Join our community if you've not yet.

Share
Go down
avatar
Admin
Admin
Posts : 262
Points : 1876
Reputation : 12
Join date : 2014-09-17
View user profilehttp://churn.forumotion.com

ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো Bhutan Thimpu Paro

on Fri May 25, 2018 2:13 pm
|| ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো – ডিসেম্বর ২০১৭ ||
প্রথম পর্ব


প্রথমে ঠিক হয়েছিল ডুয়ার্স যাব। সেইমত হাসিমারার টিকিট কেটে ফেললাম। কান্চনকন্যা এক্সপ্রেস – ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ যাওয়া আর ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ ফেরা। কিন্তু পরে ভুটানের কিছু ছবি দেখে ডুয়ার্স ক্যান্সেল করে ভুটান যাওয়াই মনস্থির করলাম। টিকিট কাটা হলো কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ যাওয়ার জন্য কারণ শনিবার রবিবার ফুন্টশিলিং এর পারমিট অফিস বন্ধ থাকে । এখানে বলে রাখা ভালো যে গ্রুপ মেম্বার কিন্তু মাত্র তিনজন আমি আমার মিসেস এবং আমাদের ৬ বছরের পুত্র।
-------------------------------
১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, বুধবার:
-------------------------------
শিয়ালদা স্টেশন থেকে কাঞ্চনকন্যা রাত ৮:৩০ এ ছাড়ে। চেপে বসলাম সেই ট্রেনে। পরেরদিন সকাল এগারোটা নাগাদ হাসিমারা স্টেশনে পৌঁছলাম।
-------------------------------
১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার:
-------------------------------
গাড়ি আগে থেকেই বুক করা ছিল তাই কোন সমস্যা হল না জলগাঁও পৌঁছতে। এরপর জলগাঁও তে গাড়ি চেঞ্জ করে চলে গেলাম ফুন্টশিলিং। এই দিন আমরা ফুন্টশিলিং এ থাকবো এই স্থির ছিল। উঠলাম এসিয়ান হোটেলে। দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর চলে গেলাম পারমিট অফিসে। থিম্পু এবং পারোর পারমিট করালাম। এদিন আর কোন কাজ ছিল না। বিকেলে আমাদের হোটেলের পাশেই একটি ছোট মনেস্ট্রি আর ফুন্টশিলিং মার্কেট ঘুরলাম।
-------------------------------
১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার:
-------------------------------
হোটেল থেকে বেরোলাম সকাল ন'টায়। প্রথমেই গেলাম ফুন্টশিলিং এর ক্রোকোডাইল পার্কে। ছেলে তো খুবই লাফালাফি করল বড়সড় অনেকগুলো কুমির দেখে। জায়গাটা ছোট হলেও কুমিরের সংখ্যা বেশ ভালই।

এরপর আমরা গেলাম ভুটান সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড গাড়ির পারমিট করানোর জন্য। যদিও এখানে একটু সমস্যা হল। ভুটান পরিবহণ দফতরের একটি মিটিং হবার জন্য আমাদের প্রায় তিন ঘন্টা অপেক্ষা করতে হলো। সেই ফাঁকে আরেকটি মনেস্ট্রি দেখতে গেলাম। তাশি পালদেন ছোলিঙ সুগ্লাখাঙ মনেস্ট্রি।

এরপর ফিরে এলাম আবার সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডে। ততক্ষণে গাড়ির পারমিট হয়ে গিয়েছিল। আমরা পারমিট নিয়ে রওনা দিলাম প্রথমে খারবান্দি মনেস্ট্রির উদ্দেশ্যে। এখান থেকে ফুন্টশিলিং এর দৃশ্য খুবই মনোরম।

ইতিমধ্যে লান্চ সেরে নিয়েছি, তাই আর দেরি না করে রওনা দিলাম থিম্পুর উদ্দেশ্যে। সময় লাগলো প্রায় ৬ ঘন্টা। পথে বেশ কয়েকবার হল্ট দিতে হলো কারণ রাস্তা বেশ দুর্গম। কিছুদুর যাবার পরেই ঠান্ডা লাগতে শুরু করল কারণ সময়টা ডিসেম্বর। ব্যাগ থেকে সোয়েটার জ্যাকেট চাদর বের করতে হলোা থিম্পু পৌঁছলাম সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ। উঠলাম হোটেল takhtsang.
avatar
Admin
Admin
Posts : 262
Points : 1876
Reputation : 12
Join date : 2014-09-17
View user profilehttp://churn.forumotion.com

Re: ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো Bhutan Thimpu Paro

on Fri May 25, 2018 2:16 pm
On the way to hasimara


Bhutan gate










avatar
Admin
Admin
Posts : 262
Points : 1876
Reputation : 12
Join date : 2014-09-17
View user profilehttp://churn.forumotion.com

Re: ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো Bhutan Thimpu Paro

on Sun May 27, 2018 8:38 am
|| ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো – ডিসেম্বর ২০১৭ ||
দ্বিতীয় পর্ব
-------------------------------
১৬ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার:
-------------------------------
সকাল ৭ টার সময় ঘুম থেকে উঠে জানালার পর্দা সরিয়ে চমকে গেলাম। বাইরে পার্কিং করা গাড়ির উপরে পাতলা বরফের আস্তরণ। তাড়াতাড়ি মোবাইল ফোনটা নিয়ে ওয়েদার চেক করলাম। দেখলাম তখন টেম্পারেচার (-)4 ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ আমাদের থিম্পু শহর শহরের কিছু দর্শনীয় স্থান দেখার কথা। সকাল ন'টায় গাড়ি ছাড়লো আর হোটেলে ফিরলাম মোটামুটি বিকেল চারটের মধ্যে। যা যা দেখলাম তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে গেলে আমি অনেক কথা লিখতে হবে। তাই সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি।

প্রথমে গেলাম থিম্পু মেমোরিয়াল চর্তেন। ওখান থেকে রওনা দিলাম থিম্পু উচ্চতম জায়গা বুদ্ধ পয়েন্টের উদ্দেশ্যে বুদ্ধ পয়েন্টে যেখানে গাড়ি দাঁড়ায় সেখান থেকে প্রায় ৩৫০ সিঁড়ি অতিক্রম করে তবে পৌঁছলাম বুদ্ধ মূর্তির পাদদেশে। খানিকটা দম নিয়ে দেখলাম অপূর্ব দৃশ্য – গোটা থিম্পু শহর খেলনার মতো লাগছে। কিছু সময় সেখানে কাটিয়ে তারপর আরও কিছু ছোট ছোট জায়গা দেখা হল যেমন টাকিন চিড়িয়াখানা, bbs tower, handicraft ও heritage museum, clock tower, national library, SAARC বিল্ডিং, bhutia market এবং সবশেষে tashicho dzong ( তাসিকো জং )। প্রতিটি জায়গাই অসাধারণ। কিন্তু entry fee একটু বেশি।

সন্ধেবেলা হাঁটতে বেরোলাম থিম্পু শহরের রাস্তায়। তবে সারাদিনের ক্লান্তির জন্য তাড়াতাড়ি ডিনার সেরে ঘুমিয়ে পড়লাম। কাল যাব পুনাখা।

-------------------------------
১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, রবিবার:
-------------------------------
আজ সকালেও কালকের মধ্যে ঠান্ডা অর্থাৎ (-)4 ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ আমরা যাব পুনাখা। পথে একটি দ্রষ্টব্য আছে, সেটি হল দোচুলা পাস। যথারীতি আমরা রওনা দিলাম সকাল ন'টায়। থিম্পু থেকে দোচুলা পৌঁছতে ঘণ্টাখানেক সময় লাগলো।

দোচুলা পাশে গাড়ি থেকে নেমে মনটা আনন্দে ভরে গেল। পাহাড়ে এরকম পরিষ্কার আবহাওয়া কোনদিন পাইনি। দোচুলা থেকে অনেকগুলি পর্বত শৃঙ্গ দেখা যায় একসাথে। প্রায় ১০-১২ টি পর্বত শৃঙ্গের মধ্যে ৬ টির উচ্চতা ৭০০০ মিটারের বেশি। কিছুক্ষণ সময় ওখানে কাটিয়ে তারপর আবার চেপে বসলাম গাড়িতে।

এখান থেকে পুনাখা যাওয়ার রাস্তা খুবই দুর্গম কিন্তু পুনাখার উচ্চতা দোচুলার থেকে কম তাই গাড়ি ক্রমশ নামতে শুরু করলো। পথের দুপাশে মাঝে মাঝেই দেখা যাচ্ছে পাতলা বরফের আস্তরণ।

যাইহোক বেলা বারোটার কিছু পরে আমরা একটি মনোরম হোটেলে লাঞ্চ সেরে নিলাম। পাশেই নদী। নামটা মনে নেই ( সম্ভবত পুনাখা নদী )। তারপর সেখান থেকে যখন পুনাখা জং পৌঁছলাম তখন সময় প্রায় দুপুর দুটো, কিন্তু সমস্যা হল পুনাখা জং দুপুর একটা থেকে তিনটে পর্যন্ত বন্ধ থাকে। তাই ওখান থেকে আমরা চলে গেলাম অন্য একটি জায়গা।

জায়গাটি হল পো-চু নদীর ওপর একটি hanging bridge, এই ব্রিজে পৌঁছতে গেলে কিছুটা পথ হেঁটে যেতে হয়। চারপাশের দৃশ্য অসম্ভব সুন্দর। এখানে কিছু সময় কাটিয়ে বেলা তিনটের পর পৌছলাম আবার পুনাখা জং।

এখানকার নিয়ম হচ্ছে টিকিট কেটে গাইডের সাথে তবে ভেতরে ঢোকা যাবে। সেই মতো আমরা গাইডের সঙ্গ নিলাম। এখানে একটি ছোট ব্রিজ আছে নদীর ওপর দিয়ে। পুনাখা জং এ ঢুকতে গেলে প্রথমেই একটি অত্যন্ত খাড়া কাঠের সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয়। সিঁড়ি পেরিয়ে আমরা জং এর ভেতরে যা যা আছে সবকিছু দেখলাম এবং আমাদের গাইড অনেক কিছুই বোঝানোর চেষ্টা করছিল, যদিও উচ্চারণের সমস্যার জন্য সবকিছু পরিষ্কার বুঝতে পারলাম না। বিকেল সাড়ে চারটের দিকে আমরা পুনাখা থেকে আবার থিম্পুর উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।

আজ বেড়ানো এখানেই শেষ। কাল যেতে হবে পারো। complete tour details পাবেন পরবর্তী অর্থাৎ শেষ পর্বে।
Sponsored content

Re: ভুটান ভ্রমন – ফুন্টশিলিং, থিম্পু এবং পারো Bhutan Thimpu Paro

Back to top
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum